ছয় বন্ধু মিলে বেড়াতে গিয়েছিল কার্শিয়ংয়ে, কিন্তু এক বন্ধুর আর ফেরা হল না। সোমবার ভোরে হোমস্টের বাইরে পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁর মৃতদেহ। ২৩ বছরের সপ্তনীল চট্টোপাধ্যায় দেউলটির বাসিন্দা। পড়েন কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে। বাকি পাঁচ বন্ধু যাদবপুরের ছাত্র। সপ্তনীল পড়তেন অন্য কলেজে। চারজন মেয়ে ও দুই জন ছেলে মিলে কয়েকদিন আগেই উত্তরবঙ্গে যান। তাঁদের মধ্যে আবার একজনের বাড়ি জলপাইগুড়িতে। সেখানে একদিন থেকে সবাই মিলে কাশিয়ংয়ে বেড়াতে যান। সোমবারই ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ঘটে গেল এই ঘটনা। প্রাথমিকভাবে বলা হচ্ছে ডাউহিলের কাছের যে হোমস্টে-তে তাঁরা ছিলেন সেখানকারই ছাদ থেকে নিচে পড়ে যান সপ্তনীল। ভোর পাঁচটা নাগাদ তাঁর দেহ হোমস্টে-র বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে জানায় ডাক্তার। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এই মৃত্যু দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা না এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে কালিম্পং পুলিশ। সপ্তনীলের পরিবারের লোকজন শিলিগুড়িতে পৌঁছেছে। সেখানেই তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হবে।