Drinking Water সব মরসুমেই স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

Drinking Water

জল পান (Drinking Water) করছেন তো বেশি করে? গরমে তাও তেষ্টা পায় ঘন ঘন, তখন ইচ্ছে না করলেও জল পান করা হয়েই যায় কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় শীতে। এক তো ঠান্ডায় যবুথবু অবস্থা, এবং আদ্রতা, রোদের তাপ কম থাকায় জল তৃষ্ণাও কম পায়। কিছুটা গড়িমসি করতে করতে জল পানের পরিমাণ কম হয়ে যায়। আর তাতেই দেখা দেয় নানা সমস্যা। বিশেষ করে শীতে ত্বক, চুল এবং শরীরে অভ্যন্তরিন অংশ শুষ্ক হয়ে যায়। জল পানের পরিমাণ কম হলে এই সমস্যা আরও বেশি করে দেখা দেয়। তাই তৃষ্ণা না পেলেও নিয়ম করে প্রতিদিন জল পান করতে হবে। সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে, জম জলপান যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তেমনই অতিরিক্তও ক্ষতি করে শরীরের। সে কারণে জল পানের পরিমাণ বিশেষজ্ঞের থেকে জেনে নিতে পারলে ভালো না হলে বলা হয়, প্রতিদিন তিন লিটার করে জল যে কোনও প্রাপ্ত বয়স্কের শরীরে দরকার হয়।

আপনি হয়তো ভাবছেন সেই চর্বিত চর্বন। এ তো সবারই জানা। ২২ মার্চ বিশ্ব জল দিবস পালন হয়। যেদিন বিশ্ব জুড়ে জলের উপকারিতা উদ্‌যাপন করা হয়। যাতে সারা বছর মানুষ এই পথ অনুসরণ করতে পারে। শরীরের হাইড্রেশনের পরিমান ঠিক রাখতে সাহায্য করে জল। শরীরে জলযোজনের মাপ ঠিক থাকলে ক্ষতিকর টক্সিন শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। বিশেষ করে গরমের সময় ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে অনেকটা জল অপ্রত্যাশিত ভাবেই বেরিয়ে যায়। সঙ্গে প্রতিনিয়ত মূত্রের মাধ্যমেও শরীর থেকে জল বের হয়। স্বাভাবিকভাবে ৮-১০ গ্লাস জল প্রতিদিন খাওয়া উচিত। সেটা যদিও মানুষের কাজ, শরীরের সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা হেরফের হতে পারে। একইভাবে এই নিয়মটা মেনে চলতে হয় শীতেও।


 

 

যদি সেটা কম হয় তাহলে অনেক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন, মুখের শুষ্কভাব, মাথা ব্যথা, শুষ্ক চামরা, মাথা ঘোরা, সক্রিয়তার অভাব দেখা দিতে পারে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, শরীরকে সুস্থ রাখতে ঠিক কতটা জল পান করা প্রয়োজন।

• সাধারণত, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৩ লিটার করে জল খাওয়া উচিত।
• পুরুষদের মাংসপেশী যেভাবে তৈরি তার জন্য মহিলাদের থেকে একটু বেশি জল প্রয়োজন।
• মহিলাদের আড়াই লিটার থেকে তিন লিটারপর্যন্ত প্রয়োজন।
• পুরুষদের সেটা অবশ্যই কম করে তিন লিটার হতেই হবে।

কী ভাবে জল পান করবেন, সেটা জানাও খুব জরুরি। একসঙ্গে অনেকটা জল খেয়ে ফেললেন তাতে কিন্তু শরীরেরই ক্ষতি। ৫০০ এমএল জল শরীরের বিপাকক্রিয়াকে ৩০% ঠিক রাখে। যদি দু’বেলার মিলের আধঘণ্টা আগে  জল পান করা যায় তা হলে খাওয়ার থেকে যে ক্যালরি শরীরে ঘর করে সেটার মাত্রা অনেকটা কমে যায়। স্বাস্থ্যকর খাওয়ারের সঙ্গে নিয়মিত জল পান শরীরে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। যখনই বিপাকক্রিয়ার উন্নতি হবে তখনই ক্যালরিকে তাড়ানো সহজ হবে। এটাই মনে রাখতে হবে, জল পানের সঠিক সময়। পেট ভরে খাবার খেয়ে, ঢকঢক করে এক গ্লাস জল খেয়ে ফেললেন, তাহলেই বিপদ। জল সব সময় খাওয়ার আগে পান করবেন। আর খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টা পর আবার জল পান করলে বিপাক প্রক্রিয়া ভালো থাকে।

কী কী সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন সঠিক পরিমাণে জল পান না করে

• কোষ্ঠকাঠিন্য, কিডনির সমস্যা ও ব্রোণোর সমস্যা কমিয়ে ফেলা যায় জল পান করেই।
• ডিম, মাছ, মাংস, শসা, লেটুসের মধ্যেও জল রয়েছে। যা শরীরে ফ্লুইডের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
• তৃষ্ণা পেলেই জল পান করুণ, তাতেই শরীরে জলের ভারসাম্য রক্ষা হবে।
• গর্ভাবস্থায় মহিলাদের আরও বেশি জল খেতে হয় বমি আর ডিহাইড্রেশনের হাত থেকে রক্ষা পেতে।

প্রতিদিন নজর রাখুন জাস্ট দুনিয়ার খবর

জাস্ট দুনিয়ার সঙ্গে গোটা বিশ্বকে রাখুন নিজের পকেটে। Follow Us On: FacebookTwitterGoogle