বিশ্বের বৃহত্তর গ্যাস হাবে ইরানের হামলা

কাতারের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) কেন্দ্র ‘রাস লাফান’-এ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাসের বাজারে অস্থিরতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের পাল্টা আক্রমণের মূল আঘাতটি এসে পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর। তেহরান একদিকে যেমন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে, তেমনি জ্বালানি স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালিয়েছে—যা এই অঞ্চলের হাইড্রোকার্বন-সমৃদ্ধ রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি স্থাপনাটিতে হামলার প্রত্যক্ষ ফলাফল হিসেবে, ওই কেন্দ্রে উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং রাশিয়ার পাশাপাশি কাতারও বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এলএনজি উৎপাদনকারী দেশগুলোর অন্যতম হিসেবে গণ্য হয়। এটিই প্রথম কোনও সমস্যা নয়; গত মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইরান কাতারের গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল, যার ফলে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘কাতারএনার্জি’ তাদের উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডারের অংশ হিসেবে পরিচিত ইরানের ‘সাউথ পার্স’ গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এই পাল্টা হামলাগুলো চালানো হয়েছে।