রশিদের জন্য এই ডার্বি জিততে চান ইস্টবেঙ্গলের বাঙালি মুখ সৌভিক চক্রবর্তী

ISL 2022-23 Bengali Footballer5লাল-হলুদ জার্সিতে শৌভিক চক্রবর্তী

সুচরিতা সেন চৌধুরী: ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানে ক্রমশ কমছে বাঙালি। দুই দলেই নিয়মিত খেলা বাঙালির সংখ্যা এক। মোহনবাগানের শুভাশিস বোস হলে ইস্টবেঙ্গলের সৌভিক চক্রবর্তী। দু’জনেই অনেকেই ডার্বির সাক্ষী। ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে হয়ে ওঠা সৌভিক তাই এই ডার্বির আবেগটা বোঝেন। সে ভীনরাজ্য হোক বা বিদেশি, এখন সবটাই পেশাদার। তবে বঙালির কাছে ডার্বি আজও আবেগের, লড়াইয়ের। কথায় আছে সব হেরে শুধু ডার্বি জিতলেই খুশি সমর্থকরা। তাই এই ম্যাচ সমর্থকদের জন্য জিততে চান সৌভিক। জিততে চান রশিদের জন্যও। যিনি বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে ফিরে গিয়েছেন দেশে। তাঁর না থাকা দলের জন্য সমস্যার হলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশি আলোচনা করতে চাইছেন না কেউই। সবাই চাইছেন তাঁর প্রাইভেসি যেন কোনওভাব নষ্ট না হয়।

ডার্বির আগের সাংবাদিক সম্মেলনে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরুটা করেছিলেন সৌভিকই। মেনে নিলেন, ডার্বির কখনও কোনও হিসেব নিকেশের উপর নির্ভর করে না। এমন কী আগের ডার্বির পারফর্মেন্সের উপরও না। বলছিলেন, “ডার্বি আসলে একটা দিনের খেলা। অতীতে কী হয়েছে তাতে কিছু এসে যায় না। ডার্বি আসলে আবেগের খেলা। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচ সব সময় ৫০-৫০।” এটা নিয়ে কোনও সংশয় নেই, ডার্বি আসলে সেই দিনের ৯০ মিনিটই। সে কোন দল কতটা শক্তিশালী তাও যেন এই ম্যাচে লঘু হয়ে যায়। তবে সৌভিক জানিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, ইস্টবেঙ্গল জিততেই মাঠে নামবে।


সৌভিক বলেন, “সবাই নিশ্চই দেখতে পাচ্ছে, আমরা কেমন ফুটবল খেলছি। অতীতকে ছেটে ফেলেই আমরা মাঠে নামব। আমাদের দলেরও ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আর যে কোনও ভালো দলের বিরুদ্ধে খেলা সব সময় কঠিন আর এটাই বড় মোটিভেশন।” শনিবার সকালে সৌভিকের বক্তব্যে ছিল দৃঢ়তা। বাঙালি হিসেবে আরও একটা ডার্বি খেলতে নামার আবেগও। সঙ্গে জয়ের জন্য মুখিয়ে থাকা। তাই বলছিলেন, “সব ডার্বি গুরুত্বপূর্ণ সে যে কোনও টুর্নামেন্টই হোক না কেন। সে কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপ বা আইএসএল। আর আমি সব সময় জয়ী দলেই থাকতে চাই।”

সৌভিকের নেতৃত্বে কুয়াদ্রাতের সময়ে ডার্বি জিতেছে ইস্টবেঙ্গল। সৌভিকই লাল-হলুদে বাংলার ফুটবলের আবেগের মুখ। এবার সেদিক থেকে দেখতে গেলে প্রায় নতুন দল গড়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রায় পুরো দলই প্রথম ডার্বি খেলতে নামবে। সৌভিক, প্রভসুখন সিং গিলের মতো কয়েকজন প্লেয়ার ছাড়া। বিদেশিরাও নতুন। সব মিলে লড়াইটা নতুনের সঙ্গে পুরনোর, অভিজ্ঞতার সঙ্গে অনভিজ্ঞতার, আর সেখানেই বাজিমাত করতে প্রস্তুত টিম ইস্টবেঙ্গল।

প্রতিদিন নজর রাখুন জাস্ট দুনিয়ার খবর

জাস্ট দুনিয়ার সঙ্গে গোটা বিশ্বকে রাখুন নিজের পকেটে। Follow Us On: FacebookTwitterGoogle