Mohun Bagan-এর বড় জয়, সাউথ ইউনাইটেডকে হারাল ৮-০ গোলে

Mohun Bagan

সুচরিতা সেন চৌধুরী: যতো গোল তত মিস। মঙ্গলবার ডুরান্ড কাপ ২০২৬-এ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুর্বল সাউথ ইউনাইটেড এফসির বিরুদ্ধে শুরু থেকেই মোহনবাগানের (Mohun Bagan) দাপট ছিল বড় ব্যবধানের। সেই মতো গোলের ব্যবধান দাঁড়ালো ৮-০-তে। প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ডার্বি জিতে খেলতে নামা মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে নিজের হ্যাটট্রিকটিও করে ফেললেন মনবীর সিং। প্রথমার্ধের ৪ মিনিটে গোলের খাতা খুলেছিলেন তিনিই। দ্বিতীয়ার্ধেও শুরু করলেন তিনি। যা মোহনবাগানকে ৫-০ গোলে এগিয়ে দিল। ডার্বি হারের পর ইস্টবেঙ্গল খেলেছিল সিআইএসএফ প্রোটেক্টর্সের বিরুদ্ধে। যে ম্যাচের ফল ছিল ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে ৮-০। আর এদিন মোহনবাগান খেলল সাউথ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ফল সেই ৮-০। এই ম্যাচ দুটো দেখার পর ডুরান্ড কাপ আয়োজকদের বিরুদ্ধে একটাই প্রশ্ন, এত দায়সারাভাবে এই টুর্নামেন্টটা কি না করলেই নয়? এমন দল কি আনা যায় না যারা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধ অন্তত লড়াইটুকু দেবে?

এদিন নির্ধারিত সময়ের ২০ মিনিট পর শুরু হল খেলা। কারণ তার আগের যে ম্যাচটি ছিল রাঁচিতে তা বৃষ্টির জন্য শুরু হয়েছিল ২০ মিনিট দেরিতে। যার ফলে পরের ম্যাচটিও পিছিয়ে যায় কারণ টেলিকাস্টের সময়। তবে ম্যাচ শুরুর ৪ মিনিটেই মনবীরের গোলে ম্যাচের কেটে যাওয়া ছন্দ ফিরিয়ে আনল মোহনবাগান। বক্সের প্রায় ভিতর থেকেই বল দিয়েছিলেন অনিরুদ্ধ থাপা। সেই বল ধরে মনবীরকে পাস বাড়ান সাহাল। ডান পায়ে সেই বল রিসিভ করে বাঁ পায়ে মনবীরের মাপা শট আটকাতে পারেনি সাউথ ইউনাইটেডের গোলকিপার সুনীল সিং। যদিও বেশ কিছু ভালো সেভ দিলেন তিনি। সঙ্গে মোহনবাগান আর গোলের মধ্যে বার কয়েক বাধা হয়ে দাঁড়াল পোস্ট আর ক্রসবার। এই পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষও একটি গোল করল বটে তবে সেটা সেম সাইড।


মোহনবাগানকে অবশ্য ব্যবধান বাড়ানোর জন্য বেশি অপেক্ষাা করতে হয়নি। ১০ মিনিঠে দলের হয়ে ২-০ করেন অ্যালবার্তো। থাপার কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে হেড করে গোলে পাঠান তিনি। এর পরের গোলটি ছিল আরও এক ডিফেন্ডারের। দ্রাজিচের ক্রস থেকে রাহুল ভেকের হেড সোজা চলে যায় গোলে। ২২ মিনিটে আবার মনবীর। এবারও সেই বল বাড়িয়েছিলেন সাহাল। ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে যে একমাত্র গোলে মোহনবাগান জিতেছিল সেটাও ছিল এই সাহালেরই। এদিন তিনি নিশ্চিত গোলের পাস যেমন বাড়ালেন , তেমনই তাঁর একাধিক গোলমুখি শট আটকে গেল পোস্টে। না হলে ৩৫ মিনিটেই ৫-০ করে দিতে পারত মোহনবাগান।

৪-০ গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে নেমে প্রথমার্ধের খেলাটা ফিরে পেল না মোহনবাগান। ৬০ মিনিটেই থাপার কর্নার থেকে প্রায় শুয়ে পড়ে হেডে যে গোলটি করলেন মনবীর তা তাঁকে মরসুমের প্রথম হ্যাটট্রিকে নাম লিখিয়ে নিতে সাহায্য করল। দলেরও ব্যবধানও বাড়ল। তার পরের বাকি সময়টা চেষ্টা ছিল কিন্তু গোল হল দুটো। পরিবর্ত হিসেবে নেমে জোড়া গোল করে গেলেন সুহেল ভাট। এদিন সাহাল নিজে গোল করতে না পারলেও গোল করালেন গুনে গুনে। যার ফলে প্রতিপক্ষকে আটগোল দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলল মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব।

মোহনবগান: বিশাল কাইথ, শুভাশিস বোস, আলবার্তো রডরিগেজ, রাহুল ভেকে, অভিষেক সিং (আশিস রাই), লিস্টন কোলাসো (কিয়ান নাসিরি), সাহাল আব্দুল সামাদ, দীপক টাংরি (অভিষেক সূর্যবংশী), দেজান দ্রাজিচ (সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়), অনিরুদ্ধ থাপা, মনবীর সিং (সুহেল ভাট)

প্রতিদিন নজর রাখুন জাস্ট দুনিয়ার খবর

জাস্ট দুনিয়ার সঙ্গে গোটা বিশ্বকে রাখুন নিজের পকেটে। Follow Us On: FacebookTwitterGoogle