সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে

দিল্লিতে কক্‌রোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর, শনিবার, দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে বিতর্কের জেরেই এই আন্দোলন।

দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। পুলিশের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের আগে আবেদন জমা পড়েনি এবং আগের কর্মসূচিতে দেওয়া নির্দেশ যথাযথভাবে মানা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও অনুমতি না দেওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। তবে CJP-র নেতৃত্ব জানিয়েছে, বাধা সত্ত্বেও তারা বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে চায়

দিল্লিতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?

  • নিরাপত্তা: বিক্ষোভ ঘিরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও দিল্লি পুলিশের বড়সড় মোতায়েনের (২৩হাজার) প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


  • মেট্রো পরিষেবা: ৯ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কার্যকর বিধিনিষেধের জন্য যাত্রীদের DMRC-র সর্বশেষ ঘোষণা দেখে নেওয়া উচিত।

  • যান চলাচল: যন্তর মন্তর, সংসদ ভবন ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে।

  • জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা: দিল্লির কিছু এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারায় বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে

সুপ্রিম কোর্টে কী হল?

বিক্ষোভকে ঘিরে বিধিনিষেধ নিয়ে ৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হয়। আদালত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও দৈনন্দিন পরিষেবা সচল রাখার প্রয়োজনের মধ্যে ভারসাম্য রাখার কথা বলেছে। বিক্ষোভের আয়োজন, সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা এবং কর্মসূচির সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে আদালত।