তখন প্রায় মধ্যরাত। ২৫ বছর বয়সী কমল ধ্যানী বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫৩ মিনিটে তাঁর যমজ ভাইকে ফোন করে জানান যে তিনি ১০ মিনিটের মধ্যে বাড়ি ফিরছেন। পরিকল্পনা ছিল বাবা-মায়ের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করার। ৩০ মিনিট কেটে গেলেও ধ্যানী তাঁর দিল্লির বাড়িতে না ফেরায় তাঁকে বারবার ফোন করেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি, এর পর তাঁর বাবা-মা আতঙ্কিত হয়ে তাঁকে খুঁজতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। প্রথমে তাঁর অফিসে খোঁজ নেন, পার্ক ও রাস্তাঘাট দেখেন, এছাড়া সাগরপুর, ডাবরি, মঙ্গোলপুরী, জনকপুরী, পালাম ও রোহিনী থানায় যান। অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার না হওয়ায় পুলিশ অভিযোগ দায়ের করতে অস্বীকার করে। পলিশের তরফে তাঁকে খুঁজতে দু’জন পুলিশ কনস্টেবলকে পরিবারের সঙ্গে দেওয়া হয়। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। পুলিশ তাদের নিখোঁজ ব্যক্তির অভিযোগ দায়ের করার জন্য সকাল ১১টায় যেতে বলে। নিখোঁজ ব্যক্তির ছোটবেলার বন্ধু মায়াঙ্ক বলেন, “আমরা কমলকে অন্তত ১০ বার ফোন করেছিলাম, কিন্তু কোনও ফোনেই উত্তর আসেনি।” পরের দিন সকালে সেই মর্মান্তিক খবরটি আসে। এইচডিএফসি ব্যাংকের রোহিনী শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ধ্যানীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি এবং তাঁর মোটরবাইক জনকপুরী এলাকার একটি নির্মাণাধীন গর্তে পড়ে গিয়েছিল, যেটি দিল্লি জল বোর্ড পয়ঃনিষ্কাশনের কাজের জন্য খনন করা হয়েছিল।