পরিবারের দাবি মেনে নার্সের ময়নাতদন্ত কল্যাণী এমসে

সিঙ্গুরের নার্সিংহোমে কাজে যোগ দেওয়ার তিন দিনের মধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় দীপালির। তাঁর বাড়ির লোকজন দাবি করেন আত্মহত্যা করেননি দীপালি। তা নিয়ে রীতিমতো যুদ্ধ লেগে যায় দুই রাজনৈতিক দলের, কে নেবে দীপালির দখল। তবে তাঁর বাবাকে গত কালই বলতে শোনা গিয়েছিল, মেডিক্যাল কলেজে মেয়ের দেহের ময়নাতদন্ত হলে সঠিক কারণ বেরবে না, বিশ্বাস নেই তাঁর। শেষ পর্যন্ত তাদের কথা মেনেই মেডিক্যাল নয় কল্যাণী এমসে ময়নাতদন্তে সম্মতি পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত শনিবার এমসে ময়নাতদন্ত হচ্ছে দীপালির। জানা গিয়েছে স্বচ্ছ্বতার জন্য ময়নাতদন্তের ভিডিওগ্রাফিও করা হবে। সেখানে উপস্থিত রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেটও। ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দীপালির পরিবারের দাবি খুন করা হয়েছে তাঁকে।