দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। পুলিশের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের আগে আবেদন জমা পড়েনি এবং আগের কর্মসূচিতে দেওয়া নির্দেশ যথাযথভাবে মানা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও অনুমতি না দেওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। তবে CJP-র নেতৃত্ব জানিয়েছে, বাধা সত্ত্বেও তারা বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে চায়
দিল্লিতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?
-
নিরাপত্তা: বিক্ষোভ ঘিরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও দিল্লি পুলিশের বড়সড় মোতায়েনের (২৩হাজার) প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
-
মেট্রো পরিষেবা: ৯ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কার্যকর বিধিনিষেধের জন্য যাত্রীদের DMRC-র সর্বশেষ ঘোষণা দেখে নেওয়া উচিত।
-
যান চলাচল: যন্তর মন্তর, সংসদ ভবন ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে।
-
জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা: দিল্লির কিছু এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারায় বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে
সুপ্রিম কোর্টে কী হল?
বিক্ষোভকে ঘিরে বিধিনিষেধ নিয়ে ৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হয়। আদালত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও দৈনন্দিন পরিষেবা সচল রাখার প্রয়োজনের মধ্যে ভারসাম্য রাখার কথা বলেছে। বিক্ষোভের আয়োজন, সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা এবং কর্মসূচির সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে আদালত।