মোহনবাগানের সার্জিও র্যামোস আনোয়ার আলি, শুনে লজ্জায় হেসে ফেললেন
সুচরিতা সেন চৌধুরী: প্রি-ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে আনোয়ার আলি-কে সঙ্গে করেই এসেছিলেন মোহনবাগান কোচ হুয়ান ফেরান্দো। তার পিছনে তাঁর কী যুক্তি ছিল সেটা জানা না গেলেও পোস্ট ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে বাধ্য হলেন আনোয়ারকে নিয়েই আসতে। কারণ এদিনের…
সুচরিতা সেন চৌধুরী: লড়াইটা তাঁরও সহজ ছিল না। ছোটবেলাটা কী ভাবে কেটেছে সেটা নিয়ে কখনওই কথা বলতে চান না। তবুও তাঁর জীবনের স্ট্রাগল এবং সেখান থেকে উঠে এসে এই বিপুল সাফল্য— পরবর্তী প্রজন্মের কাছে শিক্ষনীয় তো…
সুচরিতা সেন চৌধুরী: শুরুতেই কলকাতা ডার্বির মুড কিছুটা হলেও হতাশ করেছিল। তবে সময় যত গড়িয়েছে, গ্যালারি একটু একটু করে সমর্থক-সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে। কিন্তু চির চেনা ডার্বির গ্যালারি এ দিন অধরাই রইল পুরো ৯০ মিনিট। ম্যাচ লেখা…
সুচরিতা সেন চৌধুরী: এক কথায় বলাই যায় অপ্রত্যাশিত জয়। ইস্টবেঙ্গল যে মোহনবাগানকে হারিয়ে দিতে পারে, সেটা হয়তো ভুলেও কেউ ভাবেননি। কিন্তু সব হিসেবনিকেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কলকাতা ডার্বি-তে বাজিমাত করল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৬০ মিনিটে নন্দকুমার সেকরের…
সুচরিতা সেন চৌধুরী: রাত পোহালেই আবারও একটা কলকাতা ডার্বি । যে ডার্বি ঘিরে যুগের পর যুগ উত্তাল হয়েছে ভারতীয় ফুটবল। যে ডার্বির আবেগে ভেসে গিয়েছে উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম। রাস্তা সে যেখান থেকেই আসুক,…
সুচরিতা সেন চৌধুরী: লড়াইটা আসলে ৯০ মিনিটের। লড়াইটা আসলে মাঠের। তার বাইরে কেউ বন্ধু, কেউ প্রশংসক আবার কেউ শুধুই প্রতিপক্ষ। তবে কলকাতা ডার্বি সব সময়ই ভারতীয় ফুটবলকে নতুন কিছু শিখিয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে ভারতীয়…
সুচরিতা সেন চৌধুরী: ডুরান্ড কাপ ২০২৩-এর শুরুটা দারুণভাবেই করে ফেলল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। মোহনবাগান বনাম বাংলাদেশ আর্মি ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়ে গেল এবারের ডুরান্ড কাপ। প্রথম ম্যাচেই প্রতিপক্ষকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দিল কলকাতার দল। প্রথমার্ধেই জয়ের…
সুচরিতা সেন চৌধুরী: অনূর্ধ্ব-১২ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। তার পর গ্র্যান্ডমাস্টার হলেন ২০২৩-এর ফেব্রুয়ারিতে। বাংলা থেকে এখনও পর্যন্ত সায়ন্তন দাস-ই শেষ গ্র্যান্ডমাস্টার। তবে আফসোস, তাঁর এই সাফল্যের কথা কত জনই বা জানেন! বাংলার মুখ উজ্জ্বল করে কী-ই…
সুচরিতা সেন চৌধুরী: এই দিব্যেন্দু বড়ুয়া-কে দেখলে তাঁর উত্থান সম্পর্কে কোনও আঁচ পাওয়া যাবে না। এই প্রজন্ম দেখছে সেই দাবাড়ুকে, যিনি বাংলার প্রথম ও ভারতের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার। কিন্তু এই গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার রাস্তাটা ঠিক কতটা কঠিন ছিল…
সুদূর চক্রধরপুর থেকে বিশ্ব দাবার আসরে পৌঁছে যাওয়াটা যে সহজ ছিল না সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু Deep Sengupta নিভৃতে বেড়ে উঠছিলেন ঝাড়খণ্ডের সেই গ্রামে।
সুচরিতা সেন চৌধুরী: তিনি সন্দীপন চন্দ । ভারতীয় দাবা তথা বাংলার দাবায় একটা বড় নাম। কিন্তু কথা বলতে গেলে বোঝা যায়, তিনি বাকিদের থেকে একদমই আলাদা। ভাবনা-চিন্তার জগৎটাই অন্য রকম। তিনি চ্যালেঞ্জ নেওয়ার কথা বলেন। তিনি…
সুচরিতা সেন চৌধুরী: বাংলার কনিষ্ঠতম গ্র্যান্ডমাস্টার দীপ্তায়ন ঘোষ । মাঝে গ্রাস করেছিল অনিশ্চয়তা। সে কারণে মন দিয়েছিলেন পড়াশোনায়। ভাল ছাত্র হওয়ার সুবাদে দিল্লির স্কুল অফ ইকনমিক্স থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি করার সঙ্গে সঙ্গেই ক্যাম্পাস থেকেই জুটে গিয়েছিল…
খেলতে খেলতেই দাবায় চলে আসা। তার মধ্যে ছিল বিদেশ ঘোরার স্বপ্নও। তা বলে সপ্তর্ষি রায়চৌধুরী (Saptarshi RoyChowdhury)-র দাবা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া থেমে যায়নি।
সুচরিতা সেন চৌধুরী: পেশাদার দাবায় একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ করেছেন তিনি। যে ‘অ্যালেখাইন চেজ ক্লাব’-এ হাতেখড়ি, সেই ক্লাবেই এখন তিনি কোচ। নিজের ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা নীলোৎপল দাস তাই ছড়িয়ে দিতে চান আগামী প্রজন্মের মধ্যে। তবু কোথাও যেন…