আবার ডার্বি, নর্থইস্টকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ ২০২৬-এর ফাইনালে Mohun Bagan

Mohun Bagan: ০ (৪)

টাইব্রেকার: রাহুল ভেকে (গোল), শুভাশিস বোস (গোল), লিস্টন কোলাসো (গোল), জেমি ম্যাকলারেন (গোল)


NorthEast United: ০ (৩)

টাইব্রেকার: নিনকোভিচ (গোল), আলাদিন আজারে (গোল), জেসাস গোলজালেস (গোল),  রবিন যাদব (মিস), পার্থীব গোগোই (মিস)

আরও একটা ম্যাচের টাইব্রেকারে নিস্পত্তি। আরও একটা ম্যাচ লেখা থাকল গোলকিপারের নামেই। ঠিক একদিন আগেই কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এসসি দিল্লিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ ২০২৬ ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। আর পরের দিনই সুদূর শিলংয়ের মাটিতে সেই টাইব্রেকারে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে হারিয়েই ফাইনালে পৌঁছে গেল মোহনবাগান (Mohun Bagan) এসজি। যে ডুরান্ড কাপের শুরু হয়েছিলল ডার্বি দিয়ে তার শেষও যে হবে ডার্বি দিয়ে তা কে জানত। তবে একটা জল্পনা ছিলই। আর সেই জল্পনায় সত্যি হয়ে গেল বৃহস্পতিবার মোহনবাগান ফাইনালে পৌঁছতেই। এবার শেষ লড়াইয়ের অপেক্ষায় দুই দলের সমর্থকরা। কারণ আবার ক্লাব ফুটবলে ফিরতে অপেক্ষা করতে হবে বেশ কিছুটা সময়। কারণ আইএসএল এবার একমাস পর শুরু হওয়ার কথা। তাই বলাই যায় আগামী রবিবার, ২৩ অগস্ট ভরে যাবে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের ৬৫ হাজারের গ্যালারি।

এবার ফিরে আসা যাক ম্যাচে। একে তো বৃষ্টি, তার উপর পাহাড়ের উচ্চতা, সব মিলে আতঙ্ক তো ছিলই। কিন্তু সব প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে শেষ হাসি হাসল মোহনবাগান। ডুরান্ড ফাইনালে পৌঁছানোর হ্যাটট্রিক করা হল না নর্থইস্ট ইউনাইটেডের। তবে পুরো ম্যাচে দারুণ লড়াই দিলেন ফুটবলাররা। বল পজেশন থেকে শট অন টার্গেট, সবেতেই এগিয়ে থাকল নর্থইস্ট। কিন্তু কথায় আছে, ম্যাচ যখন টাইব্রেকারে পৌঁছে যায় তখন ম্যাচ যে কেউ জিতে নিতে পারে। আর সেখানেই নর্থইস্টের পর পর দুটো শট আটকে দিয়ে আবার ত্রাতা সেই বিশাল কেইথ। কোয়ার্টার ফাইনালেও বাঁচিয়েছিল তাঁরই বিশ্বস্ত দুই হাত। একইভাবে আগের সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে ফাইনালে তুলেছিল প্রভসুখন সিং গিলের হাত। আর এদিন হিরো হতে পারতেন নর্থইস্ট গোলকিপার গুরমিতও.। ৯০ মিনিটের লড়াইকে টাইব্রেকারে নিয়ে যাওয়ার পিছনে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি মোহনবাগানের একাধিক গোলমুখি সুযোগ আটকে দিয়ে।

এদিন কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের দলে দুটো পরিবর্তন করেছিলেন মোহনবাগান কো পানাজিওটিস। অনিরুদ্ধ থাপা ও দেজান দ্রাজিচের বদলে প্রথম দললে রেখেছিলেন সমীর জেলকোভিচ ও কিয়ান নাসিরি। থাপাকে অবশ্য পরিবর্ত হিসেবে নামিয়েছিলেন কোচ।কিন্তু দ্রাজিচ চোটের জন্য দলের সঙ্গে ছিলেন না। এদিন দুই দলকে সব থেকে বেশি সমস্যায় ফেলল জল থই থই মাঠ। প্লেয়ারদের পায়ের চাপে ঘাসের নিচ থেকে বার বার জল ছিটকে উঠতে দেখা গেল। কখনও থমকে গেল বল আবার কখনও দৌঁড়তে গিয়ে পিছলে গেলেন ফুটবলাররা। তার মধ্যেই চলল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। প্লেয়ারদের মধ্যে উত্তেজনাও ছড়াল। তবে রেফারি হস্তক্ষেপে তা বেশিদূর গড়ায়নি। এবার অপেক্ষা আরও একটি ডুরান্ড ডার্বির।

মোহনবাগান: বিশাল কেইথ, শুভাশিস বোস, রাহুল ভেকে, আলবার্তো রডরিগেজ, টেকচাম অভিষেক সিং, লিস্টন কোলাসো, সাহাল আব্দুল সামাদ (অনিরুদ্ধ থাপা), আপুইয়া, সমীর জেলকোভিচ (মিগুয়েল ফেরেরা), মনবীর সিং (ছাংতে), কিয়ান নাসিরি (জেমি ম্যাকলারেন)

প্রতিদিন নজর রাখুন জাস্ট দুনিয়ার খবর

জাস্ট দুনিয়ার সঙ্গে গোটা বিশ্বকে রাখুন নিজের পকেটে। Follow Us On: FacebookTwitterGoogle