ভারতে Bullet Train চালু হয়ে যাবে আগামী বছর অগস্ট থেকেই

Bullet Train

ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ( Bullet Train)  নির্মাণকাজ মুম্বই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল করিডোর বরাবর থানে ও পালঘর এলাকায় পুরোদমে চলছে। এই করিডোরটি পাহাড়, নদী এবং প্রধান পরিবহন রুটের মতো বিচিত্র ভূ-প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে। নির্মাণকাজের আওতায় রয়েছে থানের শিল্পাটা থেকে মহারাষ্ট্র-গুজরাট সীমান্তের কাছে জারোলি গ্রাম পর্যন্ত ১৩৫.৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি উড়াল পথ। এই অংশের মধ্যে ১২৪.০২৭ কিলোমিটার জুড়ে থাকবে ভায়াডাক্ট ও সেতু। ভায়াডাক্ট হল এমন একটি উঁচু কাঠামো যা রেললাইনকে মাটির ওপর দিয়ে বহন করে নিয়ে যায়।

এই প্রকল্পে মহারাষ্ট্রে তিনটি উড়াল স্টেশন থাকবে—থানে, ভিরার এবং বোইসার। থানে স্টেশনটি মাটি থেকে প্রায় ১২ মিটার উঁচুতে নির্মাণ করা হচ্ছে। সুড়ঙ্গের ভেতরের কাজও এগিয়ে চলেছে; বর্তমানে সেখানে নিষ্কাশন ব্যবস্থা, ওয়াটারপ্রুফিং এবং লাইনিংয়ের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।


১০০ কিলোমিটারেরও বেশি অংশে পিয়ার বা স্তম্ভ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও প্রায় ৭৪ কিলোমিটার অংশের পিয়ার পরবর্তী পর্যায়ের কাজের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। প্রকল্পটিতে পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ সুড়ঙ্গ তৈরির কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই অংশে সাতটি পাহাড়ি সুড়ঙ্গ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বুলেট ট্রেন করিডোরটি বড় বড় সেতুর মাধ্যমে বেশ কয়েকটি প্রধান নদীও অতিক্রম করবে। উলহাস নদীর ওপর ৪৬০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু এবং বৈতরণী নদীর ওপর ২.৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া জাগানি নদীর ওপর আরও একটি ৫১০ মিটার দীর্ঘ সেতু তৈরি করা হচ্ছে।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Ashwini Vaishnaw (@ashwini.vaishnaw)

মহারাষ্ট্রের অংশে মোট ৩৬টি সেতু ও ক্রসিং থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ১২টি ইস্পাতের সেতু, যা রেললাইন, নদী এবং প্রধান মহাসড়কগুলোর ওপর দিয়ে যাবে।

রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন যে, ২০২৭ সালের ১৫ অগস্ট ভারত তার প্রথম বুলেট ট্রেন পেতে পারে। চলতি বছরের শুরুর দিকে নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমের সামনে এ ঘোষণা করেন তিনি। তিনি জানান, আহমেদাবাদ ও মুম্বইয়ের মধ্যে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলছে।

পুরো মুম্বই-আহমেদাবাদ করিডোরটি একই সময়ে চালু হবে না। প্রকল্পটি ধাপে ধাপে চালু করা হবে এবং সম্ভবত সুরাট ও বিলিমোরার মধ্যবর্তী অংশটি সবার আগে চালু হবে। এরপর ভাপি-সুরাট অংশটি চালু করা হবে। পুরো করিডোরটি ২০২৯ সালের মধ্যে পুরোপুরি চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২০ কিলোমিটার গতিতে ছুটে এই পুরো পথ পাড়ি দিতে প্রায় ১ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিদিন নজর রাখুন জাস্ট দুনিয়ার খবর

জাস্ট দুনিয়ার সঙ্গে গোটা বিশ্বকে রাখুন নিজের পকেটে। Follow Us On: FacebookTwitterGoogle