Summer-এ সুস্থ থাকতে মেনে চলতে হবে যে সব নিয়মগুলো

Summer

শুরু হয়ে গিয়েছে প্রবল গরম (Summer)। গত দু’দিন ধরে পুড়ছে কলকাতা। রীতিমতো হাসফাস অবস্থা। তার মধ্যেই রাস্তায় বেরতে হচ্ছে মানুষকে। পাবলিক ট্রান্সপোর্টই ব্যবহার করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে যার যার গন্তব্যে পৌঁছতে। সেখানে ঠাসাঠাসি ভির। ঘামে ভেজা শরীর নিয়েই অফিসের এসিতে ঢুকে পড়তে হচ্ছে। আর তাতেই হচ্ছে সমস্যা। সর্দি, কাশি, এমনকি জ্বরে কাবু হতে হচ্ছে। সর্দি-গর্মি এখন নিত্য দিনের ব্যাপার। প্রকৃতির কর্ম তো আর থামানো যাব না। তবে নিজে সাবধান হওয়া যেতেই পারে। বাঁচানো যেতে পারে গরম থেকে হওয়া শারীরিক সমস্যা থেকে। তার জন্য কয়েকটা ছোট ছোট নিয়ম মেনে চললেই হবে। তার মধ্যে অন্যতম গরম থেকে সোজা সুজি এসি-তে ঢুকে না পড়া।

বাস বা লোকাল ট্রেন থেকে নেমে খানিকটা হেঁটে অফিসে পৌঁছতে হয়? তাহলে হাতে মিনিট দশেক বাড়তি সময় রাখুন। রাস্তা থেকে তাড়াহুড়ো করে ঢুকে পড়বেন না অফিসের মধ্যে। অফিসে ঢোকার আগে ছায়ায় একটু সময় দাঁড়িয়ে যান। তার পর অফিসে ঢুকুন। অফিসে ঢুকেই সঙ্গে সঙ্গে ঢক ঢক করে জল খেয়ে নেবেন না। ফ্রিজের ঠান্ডা জল তো একদমই নয়। তাহলেই আর রক্ষা নেই। আধঘণ্টা পর বেশি করে জল খান। সঙ্গে রাখুন গ্লুকোজ জল বা নুন-চিনির জল। সাদা জলের পাশাপাশি সেই জলও মাঝে মাঝে খান। তাহলে শরীর ঠান্ডা থাকবে। গরমটা কেটে গেলে ঘারে, মাথায় জল দিয়ে মুছে নিন।


এই গরমে তেল, মশলাদার খাবারকে দূরে রাখুন। যা শরীরকে গরম করে। সঙ্গে হজমের সমস্যাও করে। রিচ খাবার সহজে হজম হতে চায় না। আর এই গরমে শরীরে হজম ক্ষমতাও কমে যায়। সে কারণে হালকা খাবার খাওয়াই ভালো। পাতলা ডাল বা ডালের জল, সবজি সেদ্ধ, পাতলা করে মাছের ঝোল, চিকেন স্টুও চলতে পারে স্বাদ বদলের জন্য। তবে রেড মিট থেকে দূরে থাকাই শ্রেয় কয়েকটা মাস। মেনুতে দই নিয়মিত রাখলে হজমের উপকার হবে। দই সরাসরি খেতে ভালো না লাগলে রায়তা বানিয়ে নিতে পারেন। এই সময়ে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যেটা সেটা হল জল বেশি করে খাওয়া।

আরও একটা দিকে নজর দিতে হবে এই গরমে, সেটা হল পোশাক। এই সময় হালকা এবং সুতির জামা-কাপড়ই ব্যবহার করাটা বাঞ্চনীয়। জিন্স অ্যাভয়েড করাটাই ভালো। একে তো মোটা, সঙ্গে টাইট। দুটোই এই গরমে স্কিনের জন্য খারাপ। টাইট জিনিস রক্ত চলাচলে বাধা দেয়। সঙ্গে গরমে ঘামের কারণে সেটা আরও চেপে বসে যায়, তাতে ক্ষতি বেশি হয়। সেক্ষেত্রে হালকা জামা-কাপড় পড়লে ঘামে গায়ের সঙ্গে লেগে যাবে না। যা অনেকটাই স্বস্তির।

বাকিটা প্রয়োজন না হলে দুপুরে বাইরে বেরনোর দরকার নেই। সকাল সকাল অফিসে ঢুকে গেলে সূর্য ডোবার পরই বাড়ির রাস্তা ধরুন। আর যাদের নিয়মিত অফিস নেই, তারা বাড়িতেই থাকুন। বাড়ির হাট-বাজার সন্ধ্যের পর করুন বা সকাল সকাল। একবারে এক সপ্তাহের বাজার করে রাখুন। তাহলে আর রোজ রোজ বেরতে হবে না।

প্রতিদিন নজর রাখুন জাস্ট দুনিয়ার খবর

জাস্ট দুনিয়ার সঙ্গে গোটা বিশ্বকে রাখুন নিজের পকেটে। Follow Us On: FacebookTwitterGoogle