কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?
প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, রাত প্রায় ৭টা ৪০ মিনিট নাগাদ প্রবল বৃষ্টির মধ্যে মণ্ডপের বাইরে থাকা বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী বৃষ্টি থেকে বাঁচতে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। একই সময়ে মণ্ডপে আগে থেকেই প্রচণ্ড ভিড় ছিল। ফলে বেরোনোর গেটের কাছে হুড়োহুড়ি ও ভিড়ের চাপে পদপিষ্টের পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বহু মানুষ ভিড়ের মধ্যে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। আহতদের দ্রুত কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রায় ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
দুর্ঘটনার পর চোরবাগান পুজোমণ্ডপ দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। ঘটনার কারণ ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাপনা নিয়ে তদন্ত চলছে।
ক্ষতিপূরণ ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-সহ বিভিন্ন মহল শোকপ্রকাশ করেছে।