আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়ল না রাজ্য, মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে
আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়ল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সে কথা চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাহলে কি জল্পনার ইতি হল!
আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়ল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সে কথা চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাহলে কি জল্পনার ইতি হল!
আবার অসুস্থ মদন মিত্র সব পরিকল্পনা বাতিল করে ফিরলেন বাড়িতে। নাদর মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তৃণমূল সাংসদ।
মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় আদৌ দিল্লি যাচ্ছেন কিনা তা নিয়ে এখনও সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে শুক্রবারই কেন্দ্র সরকারের তরফে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
নারদ মামলায় স্বস্তি বাংলার রাজনৈতিক মহলে। বিশেষ করে রাজ্য সরকারের। শুক্রবার হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ শুনানি শেষে চার হেভিওয়েট নেতাকে অন্তবর্তী জামিন দিল।
বাংলায় বাড়ল লকডাউনের সময়সীমা। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, ৩১ মে শেষ হচ্ছে না লকডাউনের সময়সীমা।
ইয়াস আতঙ্ক থাকলেও তেমনভাবে শহর ও শহরতলীতে প্রভাব ফেলতে পারেনি এই ঘূর্ণিঝড়। বৃষ্টি, হালকা ঝড়ের উপর দিয়েই কাটছে গত দু’দিন। আজও আকাশের মুখ ভার।
ইয়াসের প্রভাব বাংলাকে অনেকটাই ধাক্কা দিয়েছে। তবে শুরুতে যতটা ভয়ঙ্কর হবে বলে মনে করা হচ্ছিল তেমনটা হয়নি। কলকাতা শহরে ইয়াসের প্রভাব পড়েনি বললেই চলে।
আছড়ে পড়ল ইয়াস সকাল ৯.১৫ নাগাদ বালেশ্বরের দক্ষিণে। শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড় শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি বার বার পরিবর্তন করল দিক, ল্যান্ডফলের অবস্থান।
ইয়াস নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েদিলেন আজ থেকে রাজ্যের ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত কন্ট্রোলরুমে রাত জাগবেন তিনি।
ইয়াসের প্রভাব শুরু হয়ে গেল দু’দিন আগে থেকেই। প্রাথমিকভাবে যা খবর ছিল তাতে বুধবার রাত ৮ টার পর সাগর ও পারাদ্বীপের মধ্যে আছড়ে পড়তে পারে ইয়াস।
নারদ মামলার শুনানি সোমবারের মতো শেষ হল। পরবর্তী শুনানি বুধবার। যদিও সেদিন রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় ইয়সের আছড়ে পড়ার কথা সেক্ষেত্রে ভার্চুয়াল শুনানিতে বাধা হতে পারে।
তৃণমূলে ফেরার ঢল শুরু হয়ে গিয়েছে, চলছে নানা কাণ্ড। এক এক করে অনেকেই বিজেপি ছেড়ে ফিরতে চাইছে তৃণমূলে। কোউ দিদির আঁচলের তলায় তো কেউ মায়ের ঘরে।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে প্রথম মৃত্যু কলকাতায় ৩২ বছরের মহিলার। ভর্তি ছিলেন শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে। শম্পা চক্রবর্তী করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে।
নারদ মামলায় ৫ সদস্যের বেঞ্চ তৈরি করল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও অরিজিঠ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে নারদ মামলায় শুনানি ছিল।
Copyright 2026 | Just Duniya