ঋষিখোলা: সেখানে ঋষি নেই ঠিকই কিন্তু প্রকৃতির খোলা জানলা আছে
ঋষিখোলা (Rishikhola) গ্রামে নামটি হয়েছে ঋষি নদীর থেকে। এবং স্থানীয় ভাষায় নদীকে খোলা বলা হয়। সে থেকেই ঋষিখোলা। নদীর পাড়ের এক ছোট্ট নির্জন গ্রাম।
ঋষিখোলা (Rishikhola) গ্রামে নামটি হয়েছে ঋষি নদীর থেকে। এবং স্থানীয় ভাষায় নদীকে খোলা বলা হয়। সে থেকেই ঋষিখোলা। নদীর পাড়ের এক ছোট্ট নির্জন গ্রাম।
উত্তরবঙ্গ পর্যটন (North Bengal Tourism) এর মধ্যেই বার কয়েক স্বমহিমায় ফেরার চেষ্টা করেছে কিন্তু সফল হয়নি। তার মধ্যেই ১৫ অগস্ট ছবিটা একটু অন্য রকম ছিল।
লাদাখ (Ladakh) কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মর্যাদা পাচ্ছে, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ঠিক এক বছর আগে। খবরটা শোনার পর থেকেই লাদাখবাসীর মন আশায় ভরে উঠেছিল।
সিংহ দ্বীপ (Lion Island) ভ্রমণ বাঙালির চেনা ছন্দের বাইরে বেরিয়ে কিছুটা দেখার চেষ্টার মতো। তবে লেখকের কাছে সুযোগটা এসে গিয়েছিল ওই দেশে থাকার সুবাদে।
মুর্শিদাবাদ (Murshidabad Travel) ও তার অজানা স্থাপত্যের খোঁজে এ বছর মার্চের ১৫ তারিখ তিন বন্ধু মিলে পৌঁছে গিয়েছিলাম ভারতবর্ষ তথা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থানে।
কসৌলি (Kasauli) হিমাচলের শুরু বলা যেতে পারে। কালকা স্টেশনে নামলেই হিমাচলের পাহাড় দুই বাহু মেলে আপ্যায়নের করবে এবার সেখান থেকেই রওনা দিলাম কসৌলি হিল স্টেশনের দিকে।
দার্জিলিং প্রেমীদের জন্য সুখবর। ১ জুলাই থেকে খুলে যাচ্ছে দার্জিলিং পর্যটকদের জন্য। পর্যটনের উপরই বেঁচে থাকে দার্জিলিং। দীর্ঘদিন সেখানে বন্ধ রয়েছে পর্যটন।
নতুন জায়গায় এসেছি। মাত্র কয়েক দিন হল। প্রাথমিক বিষয়, মানে অফিসে যোগ দেওয়া, নতুন দায়িত্ব বোঝা, এ সব সামলে উঠতে সপ্তাহ তিনেক কেটে গিয়েছে। মনটা বেশ উশখুশ করছে।
ভ্রমণ কাহিনী ও তাঁর অভিজ্ঞতার ঝাঁপি খুলে দিলেন এক ভ্রমণ পাগল মানুষ। তিনি সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ‘পায়ে পায়ে ১১টি দেশের ১২টি গল্প’ প্রকাশিত হল।
দার্জিলিং চাইছে হাঁফ ছাড়তে, টাইগার হিলে যেতে এ বার আগাম অনুমতি লাগবে। নয়া নির্দেশিকা জারি করল দার্জিলিং পুলিশ। ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন নিয়ম।
বসুধারা: এ পথে হাঁটা ছাড়া আর কোনও গতি নেই। এমনকি, দেখা মেলে না কোনও ঘোড়ার। তবে এই ভাল! না হলে ভিড়ভাট্টায় পাহাড়ের অনেক দুর্গম অঞ্চলেও আজ নির্জনতার বড্ড অভাব।
টেহরি ড্যামের নিচে ঘুমিয়ে একটা পুরো গ্রাম। কয়েকলাখ মানুষকে নিয়ে এক পাহাড়ি গ্রামে নিশ্চিহ্ন করে তৈরি হয়েছিল এই জলাধার। আজ সেটা ভ্রমণের জায়গা।
কাবুলের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। মিনি সেই যে ছোটবেলায় ‘কাবুলিওয়ালা’র হাত ধরিয়ে দিয়েছিল! বড়বেলায় সেই কাবুল ঘুরে এলেন জয়ন্ত দত্ত।
গভীর রাতের পুরী প্যাসেঞ্জার একে একে পিছনে ফেলে চলেছে চেনা চেনা নামের স্টেশনগুলো! বাইরে অঝোর ধারাপাত! নিম্নচাপের কথা শুনে এসেছিলাম।
Copyright 2026 | Just Duniya