অতিমারির আতঙ্ক কাটিয়ে খুলছে ইউরোপ, ১ বছর পর মৃত্যুহীন ব্রিটেন
আতিমারির আতঙ্ক কাটিয়ে খুলছে ইউরোপ তবে নিয়ম মেনে। কোভিডের প্রথম ঢেউয়ের ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়েছিল ইউরোপের উপর। সব থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ছিল ব্রিটেন।
আতিমারির আতঙ্ক কাটিয়ে খুলছে ইউরোপ তবে নিয়ম মেনে। কোভিডের প্রথম ঢেউয়ের ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়েছিল ইউরোপের উপর। সব থেকে ক্ষতিগ্রস্থ ছিল ব্রিটেন।
৪২ দিন পর পশ্চিমবঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা নামল ১০ হাজারের নিচে। মঙ্গলবার একদিনে বাংলায় কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৯,৪২৪জন। তবে মৃত্যুর সংখ্যা ১০০-র উপরই রয়ে গিয়েছে। আরও পড়তে ক্লিক করুন…
দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়া হবে দেশ জুড়ে। মঙ্গলবার এমন আশার কথাই শোনালেন ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’ (আইসিএমআর)-এর প্রধান বলরাম ভার্গব।
ভবিষ্যতের অতিমারী রুখতে জানতেই হবে কোভিড-১৯-এর জন্মের সত্যতা। এমনটাই মনে করছেন আমেরিকার দুই রোগ বিশেষজ্ঞ। মনে করা হচ্ছে চিনের গবেষণাগার থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল সার্স-কোভ-২ ভাইরাস। আরও পড়তে ক্লিক করুন…
ধূমপান করেন? কোভিড পরিস্থিতিতে যখন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে তখন ধূমপান আপনার থেকে কেড়ে নিতে পারে সেই ক্ষমতা।
মৃত দেহ ছুড়ে ফেলা হচ্ছে নদীতে, চলছে তারই তোড়জোড়। ব্রিজের উপর থেকে কাপড়ে জড়িয়ে মৃতের দেহ নদীতে ফেলে দিতে পারলেই কাজ শেষ। ধরা পড়ল ক্যামেরায়।
লকডাউন যে গোটা দেশকে কোভিড মুক্তির পথ দেখাচ্ছে তা হাতে নাতে প্রমাণ মিলছে। যে ভাবে গত দু’মাস ধরে হুহু করে বাড়ছিল কোভিড আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা তাতে রাশ টানা গিয়েছে। আরও পড়তে ক্লিক করুন…
কিছুটা হলেও স্বস্তি। দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নামল ২ হাজারের নিচে। এর আগে নামলেও আবার উঠে এসেছিল। এদিন আবার তা নামতে দেখা গেল। শুক্রবার ২৪ ঘণ্টায় দেখে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৬,৩৬৫। আরও পড়তে ক্লিক করুন…
কোভিডে প্রতিদিন এখনও ২ লাখের উপর মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন দেশে। মৃতের সংখ্যা কখনও নামছে কখনও উঠছে। তাই এখনই স্বস্তির কোনও জায়গা নেই কোভিড নিয়ে। আরও পড়তে ক্লিক করুন…
টিকার ভয়ে নদীতে ঝাঁপ দিলেন একটি গ্রামের প্রায় ২০০ মানুষ। এ এক অদ্ভুত দেশ, এ এক অদ্ভুত রাজ্যও বটে। উত্তরপ্রদেশের বারাবাঁকির সিসাউদা গ্রামের ঘটনা।
কোভিডে চিকিৎসক মৃত্যু নিয়ে যে তথ্য আইএমএ সামনে এনেছে তা ভয়াবহ। যাঁরা বাঁচাবেন তাঁদেরই যদি প্রাণ চলে যায় তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে?
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে প্রথম মৃত্যু কলকাতায় ৩২ বছরের মহিলার। ভর্তি ছিলেন শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে। শম্পা চক্রবর্তী করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কৃষ্ণ ছত্রাকও মহামারির আকার ধারণ করেছে কোভিড অতিমারির সঙ্গে সঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গ এবং অন্যান্য রাজ্যে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
সাংবাদিকদের মৃত্যুর খতিয়ান কে রাখে? কোভিড যোদ্ধা হিসেবে যখন একগুচ্ছ পেশাকে সামনের সিড়িতে রাখা হচ্ছিল তখনও সাংবাদিকদের কথা কেউ ভাবেইনি।
Copyright 2026 | Just Duniya