India vs Uruguay ম্যাচের পর বিরিয়ানি থেকে মিষ্টি দইয়ের স্বাদ নেওয়ার ইচ্ছে ফোরলানের

সুচরিতা সেন চৌধুরী: রাত পোহালেই আরও একটা ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। ফিফা উইন্ডোর শেষ ফ্রেন্ডলি (India vs Uruguay) ম্যাচের আগে ভারতের বিরুদ্ধে নিজের দল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী উরুগুয়ে কোচ দিয়েগো ফোরলান। যুবভারতীর কনফারেন্স রুমে এদিন একাই সাংবাদিকদের সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন তিনি। এলেন না কোনও ফুটবলার। হয়তো ম্যাচের আগে মনোসংযোগ ধরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত কোচের। তিনি যদিও ভারতীয় মিডিয়ার সঙ্গে ভালোভাবেই পরিচিত আইএসএল খেলার সুবাদে। তাই রীতিমতো স্বচ্ছন্দেই সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেলেন।

দিয়েগো ফোরলানের সাংবাদিক সম্মেলন

ভারতে খেলার স্মৃতি


ভারতে আমার প্রথম আসার পর প্রায় ১০ বছর কেটে গিয়েছে। আমি এখানে ছয় মাস কাটিয়েছিলাম; এটি সত্যিই সুন্দর একটি দেশ এবং এখানে অনেক ভালো ফুটবলার রয়েছে। এবার আমি এখানে অন্য এক ভূমিকায় এসেছি।

ভারতীয় দল‌ প্রসঙ্গে

ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে আমরা দেখেছি যে ভারতের দলে বেশ কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে। তাই আমাদের ভারতের বিপক্ষে খেলার সময় সতর্ক থাকতে হবে। আমরা যদি তাদের জায়গা দিই, তবে তারা আমাদের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।

ভারত ক্রিকেটের দেশ

ভারতে ক্রিকেটই প্রধান খেলা, তবে এখানে ফুটবলে অনেক তরুণ প্রতিভা রয়েছে। এই খেলোয়াড়দের বিকাশের জন্য একটি শক্তিশালী লিগ থাকাটা জরুরি। অদূর ভবিষ্যতে ভারত হয়তো আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলবে।

উরুগুয়ের কোচের ভূমিকায় 

উরুগুয়ের মতো দলের কোচ বা ম্যানেজার হওয়ার সঙ্গে কিছুটা চাপ তো থাকেই; তবে পেশাদার ফুটবল জীবনে চাপ সবসময়ই কাজের একটি অংশ। আমার বাবা নিজেও জাতীয় দলের কোচ ছিলেন, তাই উরুগুয়ের কোচ হওয়াটা আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের বিষয়।

ভারতীয় ফুটবলের উন্নতিতে 

আপনাকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় বা অ্যাকাডেমি থেকে ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। যত বেশি অ্যাকাডেমি গড়ে উঠবে, লিগ ততটাই শক্তিশালী হবে। জাতীয় দল যে এ ধরনের প্রীতি ম্যাচ খেলছে, তা সত্যিই ভালো ব্যাপার।

ফিফা ফ্রেন্ডলিতে উরুগুয়ে 

এই আন্তর্জাতিক বিরতিতে আমাদের প্রথম ম্যাচটি আমরা একে অপরের সঙ্গে মিলিত হওয়ার মাত্র একদিন পরেই খেলেছিলাম। আমরা একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করছিলাম এবং আমার মনে হয় না যে আমরা সেই ম্যাচটি হারার যোগ্য ছিলাম। দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচও সহজ ছিল না।  ভারতের বিপক্ষে এই ম্যাচের জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করার মতো আরও কিছুটা সময় পেয়েছি। জাতীয় দল হিসেবে আমরা প্রতিপক্ষকে সবসময়ই সম্মান করি।

কলকাতার খাবার

বিরিয়ানি বা ফিল্টারিং, রসোগোল্লা বা মিষ্টি দই, কোনোটাই চেখে দেখা হয়নি কারণ আমাদের খেলতে হবে। কাল খেলার পর ভেবে দেখব যদি এই সবের স্বাদ পাওয়া যায়।