Durga Puja: দশমীর পাত জমুক বাঙালির প্রিয় পদে
Durga Puja-র চার দিন যেন বাঙালির কাছে শুধুই উৎসব নয়, রসনারও এক মহোৎসব। ষষ্ঠীর শুরু থেকে নবমীর রাত পর্যন্ত প্যান্ডেল হপিং, আড্ডা আর খাওয়াদাওয়া চলে সমান তালে।
Durga Puja-র চার দিন যেন বাঙালির কাছে শুধুই উৎসব নয়, রসনারও এক মহোৎসব। ষষ্ঠীর শুরু থেকে নবমীর রাত পর্যন্ত প্যান্ডেল হপিং, আড্ডা আর খাওয়াদাওয়া চলে সমান তালে।
কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে গত বছর থেকেই পুজো বেশ খানিকটা ফিঁকে। এক জায়গায় অনেক মানুষের জমায়েত না হলে আর পুজোর কী মজা। তবে এবার বিধিনিষেধ থাকলেও হাইকোর্ট নতুন করে কিছু বিষয়ে ছাড় দিল। আরও পড়তে ক্লিক করুন…
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো উদ্বোধন শুরু হয়ে গেল এদিন থেকেই। মহালয়ার দিনই উদ্বোধন হল জাগো বাংলার পুজো সংখ্যা। সঙ্গে গানের সিডি।
দুর্গাপুজো হবে কোভিডবিধি মেনেই, মঙ্গলবার এই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাতে দর্শনার্থীদের ঠাকুর দেখার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি।
উৎসবে বিধিনিষেধ শুরু হয়েছিল কোভিডের প্রথম ঢেউ আসার পর থেকেই। যে কারণে গত বছরের দুর্গাপুজোও ছিল স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই ম্যাড়ম্যাড়ে।
পুজোর আয়োজন করোনা পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলতে পারে, উৎসবের এই আয়োজন কতটা করোনা-বিপদ ডেকে আনতে পারে রবিবার সেই সতর্কতাই শোনা গিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মুখে।
উত্তরপ্রদেশে দুর্গাপুজো এ বার করা যাবে না প্যান্ডেল বেঁধে, সোমবার এমন নির্দেশিকাই জারি করেছে সে রাজ্যের জারি যোগী আদিত্যনাথের সরকার।
মহালয়া (Mahalaya) আসলে কী বা কেন? কেনই বা হয় এই মহালয়া যাকে জুড়ে দেওয়া হয় দুর্গাপুজোর সঙ্গে। হঠাৎ করেই সেই মহালয়া নিয়ে অন্য তথ্য উঠে আসছে। উঠে আসছে শুভ ও অশুভর তথ্য।
কুমারটুলি ডায়েরি ২০২০ (Kumartuli Diary 2020): লকডাউন আর আমপান জোরালো ধাক্কা কাটিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি। সিটি অব জয় ফিরছে সেই পুরোনো ছন্দে।
কলকাতায় ঠাকুর দেখতে গিয়ে সন্ধ্যায় প্রপোজ, অষ্টমীর রাতেই পাড়ার মণ্ডপে বিয়ে সেরে ফেললেন হুগলির সুদীপ-প্রীতমা। প্রথম দেখা অষ্টমীর রাতেই।
স্টকহোম সর্বজনীন দুর্গাপুজোর এ বার সাতে পদার্পণ, ৪ থেকে ৬ অক্টোবর, ২০১৯ স্টকহোমের উপকণ্ঠে Kungsängen প্রাঙ্গণে ওই পুজো অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসব শেষে শুরু বিসর্জনের বাজনা, ফের মা দুগ্গাকে আবাহনের প্রহর গোণা শুরু হল বাঙালির। মঙ্গলবার বিজয়া দশমীর দিন অনেক প্রতিমার বিসর্জন হয়েছে।
মহানবমীর সকাল থেকে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা থেকে রাত— মানুষের ভিড়ে থমকে গেল গোটা কলকাতা। সোমবার সকাল থেকে শহরের আবহাওয়া ভালই ছিল।
সপ্তমীর সন্ধ্যায় কলকাতার ভাঙল বাঁধ, চার দিকে জনসমুদ্র। কখনও কখনও বৃষ্টি হচ্ছে। লাইন সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন বিভিন্ন পুজো কমিটির স্বেচ্ছাসেবকেরা।
Copyright 2026 | Just Duniya